মার্শাল আর্টস
পাঁচ পতাকা, একটি পাইপলাইন: ২০তম এশিয়ান গেমসে টিম কাটায় ভিয়েতনামের প্রথম সোনা২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুরের পরের সেশন। ইনচনের বাড়িতে বসে ডান হাতের পাশে খুলে...
পিএফএল-এমভিপি একীভূতকরণ: জন মার্টিনের পদত্যাগের নেপথ্যে নীরবতার লেজার ও স্টার-পাওয়ারের ফাঁদগত ৩০ জুলাই পিএফএল ও এমভিপি একীভূতকরণের ঘোষণা। তার রেশ কাটতে না কাটতেই...
নাগোয়ার পাশে শেষ ছোঁয়া: সিঙ্গাপুরের প্রথম এশিয়ান গেমস টিম ব্রোঞ্জ, ইপের হিসাব আর একটি ভুল খাতার গল্পহল ছাড়ার শেষ ঘণ্টাটা সবসময় সত্যি কথা বলে। আইচি স্কাই এক্সপোর ফ্লোর ধীরে ধীর...
৪২–৪১ আর ৩৫–৪৫: সিঙ্গাপুরের ব্রোঞ্জের ভেতরে দুটি আলাদা গল্পআইচি স্কাই এক্সপোর পিস্তে থেকে বেরিয়ে আসা সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি...
৪২–৪১: একটি টাচ, একটি ইতিহাস — আর কোরিয়ার কাছে দশ টাচের দূরত্বহুক: ৪১–৪১, তারপর একটি টাচ স্কোরবোর্ডে জ্বলছে ৪১–৪১। আইচি স্কাই এক্সপোরের...
এশিয়ান গেমস ২০২৬: সিঙ্গাপুর নারী এপি টিমের ব্রোঞ্জ — তিন আসরের কোয়ার্টার-ফাইনাল প্রাচীর ভাঙার প্রতিবেদন৪২–৪১। প্রথম দর্শনে স্কোরবোর্ডের এই সংখ্যাটা আমার চোখে টাইপোর মতো লেগেছিল।...
৪২–৪১ আর ৩৫–৪৫: এপি তলোয়ারের ব্রোঞ্জ, দশ টাচের ব্যবধান আর একটা ভুল শ্রেণিবিন্যাসআইচি স্কাই এক্সপোর পিস্টে স্কোরবোর্ড তখন ৪১–৪১। ইলেকট্রনিক স্কোরিং যন্ত্র দুই...
৪২–৪১: ওভারটাইমের এক টাচ, আর সিঙ্গাপুরের ফেন্সিং লেজারে প্রথম এন্ট্রিআইচি স্কাই এক্সপোরের ফেন্সিং পিস্টে ওভারটাইমের সেই একটা টাচ পড়ার আগে প্রায়...
৪২–৪১: যে স্কোরটা হওয়া উচিত ছিল না, আর সিঙ্গাপুরের ব্রোঞ্জের আসল খতিয়ানহুক: খাতার প্রথম কলাম ব্যানককের ঘড়িতে রাত ২টা ১১ মিনিট। মেওয়াচের স্ট্রিম...
ব্রোঞ্জটা কোয়ার্টার-ফাইনালেই জেতা: সিঙ্গাপুরের ইপে দল, ৪২–৪১ এবং ফেন্সিংয়ের নিঃশব্দ মেশিন-রেফারি৪২–৪১। ওভারটাইম। ইপে দলগত কোয়ার্টার-ফাইনালের শেষ টাচ। তার আগে সিঙ্গাপুর...
টাচ বনাম রায়: সিঙ্গাপুরের প্রথম ইপি ব্রোঞ্জ, এবং যে সংখ্যাটা এখনও ঝুলে আছেব্লেডটা যখন লক্ষ্যে পৌঁছায়, সিদ্ধান্তটা নেয় যন্ত্র। ইপিতে বিচারকের রায় লাগ...
৪২–৪১: ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডের যে সংখ্যাটি এখনো ব্যাখ্যা চায়আমি ওই শেষ টাচটি কোলাহল নিভে যাওয়ার পরও কমপক্ষে দশবার দেখেছি। ২০২৬ এশিয়ান...
তলোয়ারের খতিয়ান: ৪২-৪১ আর ৩৫-৪৫ — সিঙ্গাপুরের প্রথম এপি পদকের দুই কলামআইচি স্কাই এক্সপোর ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডে শেষ সংখ্যাটা জমে গিয়েছিল ৪২-৪১।...
সিঙ্গাপুরের এপি ব্রোঞ্জ দরজা খুলল, কিন্তু ঘরটা এখনো কোরিয়ারহুক স্কোরবোর্ডে তখন ৪১-৪১। আহা-নাগোয়ার সেই মুহূর্তটা সিঙ্গাপুরের ফেন্সিং...
এপে ব্রোঞ্জ, আর যে স্কোরলাইনটা ৪৫ টাচের খাতায় বসে নাআমার খাতায় ফেন্সিং বলে কোনো কলাম নেই। পঁচিশ বছর ধরে আমি যেসব ডিসিপ্লিনের হিস...
